20 Nov 2017 : সিলেট, বাংলাদেশ :     |Bangla Font Error | Login |

পাতাঃ সিলেট

সিলেটে ভৌতিক বিলে বিক্ষুদ্ধ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

biddutমো. শাফী চৌধুরী
সিলেট জুড়ে প্রদান করা হচ্ছে ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল। এ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকরা বার বার অভিযোগ করেও পাচ্ছেন না সমাধান। সর্বশেষ কোন সমাধান না পেয়ে ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল প্রদানের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ-২ এর মিরাবাজার অফিস ঘেরাও করেছে গ্রাহকরা। এ সময় অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে গ্রাহকদের বাকবিতন্ডা করতে দেখা যায়। পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্বাসে তারা ঘেরাও তুলে নেন।
জানা যায়, বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সিলেটের এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক মাস যাবত ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছেন কর্তৃপক্ষ। অনেকের বিদ্যুৎ বিলে একমাসের ব্যবধানে কয়েক হাজার টাকা বিল প্রদানেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৌখিক ভাবে গ্রাহকরা কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অভিযোগ করে আসলেও তারা তাতে কোন কর্ণপাত করেন নি। অভিযোগ কারীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বিগত কয়েক মাস থেকে মিটারের রিডিংয়ের সাথে কোন মিল না রেখে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তারা তার প্রতিবাদ করলে কর্তৃপক্ষ থেকে তাদেরকে এনালগ মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল মিটার স্থাপনের পরামর্শ দেন। ডিজিটাল মিটার স্থাপন করলে মিটারের রিডিংয়ের সাথে বিলের মিল থাকবে বলে আশ্বস্ত করা হয় তাদের। কিন্তু ডিজিটাল মিটার স্থাপনের পরও সেই আগের মত ভৌতিক বিল প্রদান করা হচ্ছে। তাছাড়াও লাইনম্যান মিটার না দেখে বিদ্যুৎ বিল লিখে থাকেন বলে জানান অভিযোগকারীরা। যার ফলে মাসের পর মাস থেকে এ বাড়তি বিল প্রদান করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
রায়নগর এলাকার শাহজাহান আহমদ জুন মাসের তার বাসার একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দেখিয়ে বলেন, জুন মাসে আমার বাসায় ১৭০ ইউনিট বিদ্যুতের বিল প্রদান করা হয়। কিন্তু জুলাই মাসে আমাকে ৯৮৭ ইউনিটের বিল প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি কয়েকবার মৌখিক ভাবে বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করে আসছি। গত আগস্ট মাসে জুলাইয়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ করেছিলাম তখন তারা আশ্বস্ত করেছিলেন আগস্ট মাসে বিলে তা ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এ মাসেও ঠিক হয়নি।
ভৌতিক বিদ্যুত বিলের প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিউবো-২ এর শহরতলীর মুরাদপুর বাইপাস এলাকার গিয়াস উদ্দিন নামে এক গ্রাহক জানান গত তিন মাস ধরে তার বাসায় হঠাৎ করে বড়ো অঙ্কের বিদ্যুত বিল আসা শুরু করে। অথচ তিনি মাত্র একটি ফ্যান আর দুটি লাইট ব্যবহার করেন। তিনি নিয়মিত প্রতি মাসে বিল পরিশোধ করে আসছেন তাই তার কোনো বকেয়াও নেই। তিনি আরো বলেন বিদ্যুত বিলের কাগজ যারা দিতে আসে তারা তাদের মিটারই দেখে না। মিটার না দেখেই অনুমানের উপর ভিত্তি করে তারা এই বিল দিয়ে যায়। তাদের বলেও কোনো লাভ হয়না, তারা বলে মিটার দেখা আছে। এতে করে তার মতো আরো অনেক গ্রাহককে বাড়তি বিলের কারণে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তিনি জানান, তিনমাস আগে হঠাৎ করে তার কাছে ২২ শত টাকার বিলের কাগজ ধরিয়ে দেয়া হয়। পরের মাসে আবার সাড়ে ৩ হাজার বিল আসবে বলে জানান বিলের কাগজ বিতরণকারী। বাড়তি বিল নিয়ে এসময় তিনি তার সাথে কথা বললে বিল বিতরণকারী জানান, তার পুরোনো বিল জমা রয়ে গেছে, তাই ওগুলো দেয়া হচ্ছে। গিয়াস উদ্দিন প্রশ্ন তোলেন প্রতি মাসে বিদ্যুত বিল বিতরণকারীদের বিতরণ করা কাগজ দেখে তিনি যেখানে নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছেন সেখানে তার বকেয়া বিল কিভাবে থাকে। এটি সুস্পষ্ট প্রতারণা। তার মতো আশপাশের প্রায় সব গ্রাহকের এই একই অভিযোগ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুতের মিটারের ছবি তুলে বিদ্যুৎ বিল তৈরী করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রাইভেট কোম্পানী মুনসী ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশনকে। কিন্তু বিগত কয়েক মাস যাবত তারা বিদ্যুতের মিটারের সাথে কোন সামঞ্জস্য না রেখে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছে। যার কারণে অনেকের মিটারে পূর্বের বিল জমা থেকে যায়। তিনি আরো জানান, অনেক গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে দেওয়ার জন্য লাইনম্যানকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে থাকেন। যার কারণে তারা রিডিং না দেখে লাইনম্যান কম ইউনিটের বিল তৈরী করে দেন গ্রাকদের। যার কারণে মিটারে বিল জমা হয়ে আছে অনেক গ্রাহকের।
এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পারভেজ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি জানান, মুনসী ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশনকে বিদ্যুতের ¯œ্যাপিং ও বিলিংয়ের কাজ দেওয়া হয়েছিলো। তারা ঠিক মত রিডিং দেখে বিল তৈরী না করার কারণে গ্রাহকদের মিটারে পূর্বের অনেক ইউনিট জমে আছে। যার কারণে এক সাথে সব বিল আসার কারণে গ্রাহকদের নিকট তা ভৈৗতিক বলে মনে হচ্ছে। তিনি আরো জানান, আমি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করেছি। গস্খাহকরা বলছেন যেহেতু তাদের পক্ষে একসাথে এত টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হবে না তাই তা আমরা কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করেন দিবো। (1753 বার পড়া হয়েছে)

দক্ষিণ সুরমায় পুলিশের অভিযানে নারী-পুরুষ সহ আটক ১২

Grepther

দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি ঃ দক্ষিণ সুরমার আবাসিক হোটেল আল-তকদিরে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ নারীসহ অসামাজিকতার দায়ে মোট ১২ জনকে আটক করেছে। বিস্তারিত… (108 বার পড়া হয়েছে)

কামালবাজারে স্টুডিও ব্যবসায়ী হত্যাকান্ডে আদালতে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণ সুরমা থানায় কামালবাজারের মা ডিজিটাল স্টুডিওর স্বত্বাধিকারী শামীম (৩৯) কে হত্যা করে সিলেট রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পাশে লাশ রাখার ঘটনায় আদালতে অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করা হয়। নিহত শামীমের ভাই ফয়েজ আহমদ গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ বিস্তারিত… (108 বার পড়া হয়েছে)

গোলাপগঞ্জে ১০ দিন ধরে রহস্যজনক কারণে নির্মাণ শ্রমিক নিখোঁজ, স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ গোলাপগঞ্জের পৌর এলাকায় ১০ দিন ধরে এক নির্মাণ শ্রমিক রহস্য জনক কারণে নিখোঁজ রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নির্মাণ শ্রমিকের স্ত্রী নিজে এব্যাপারে গোলাপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করলেও এ নিখোঁজের রহস্যের তীর অনেকটা তার দিকে ছোঁড়া হচ্ছে। পুলিশ এব্যাপারে অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোন তথ্য পায়নি। বিস্তারিত… (201 বার পড়া হয়েছে)

সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সাথে মিসবাহ সিরাজের ঈদ শুভেচ্ছা

unnamed (1)সিলেট উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা বারের পিপি এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। গত ২৭ জুন মঙ্গলবার সিলেট জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য ও ইষ্ট লন্ডন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সধারন বিস্তারিত…

(188 বার পড়া হয়েছে)

জকিগঞ্জে দুটি বাড়িতে ডাকাতি, জনতার হাতে ৪ ডাকাত আটক

Dakatiজকিগঞ্জ প্রতিনিধি: গতকাল শনিবার রাতে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বারঠাকুরী ইউনিয়নের কাজিরপাড়া এলাকার শাহাবউদ্দিন ও একই ইউনিয়নের উত্তরবাগ এলাকার আব্দুর রহিমের বাড়ীতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়। স্থানীয় জনতা ৪ ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। বারঠাকুরী ইউপির চেয়ারম্যান মহসিন মর্তুজা চৌধুরী(টিপু)জানান,ডাকাতরা ডাকাতি বিস্তারিত… (58 বার পড়া হয়েছে)

জকিগঞ্জে বন্যা, অনেক বাড়ি ঘরে পানি

জকিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ গত কয়েকদিনের বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জকিগঞ্জে বন্যা দেখা দিয়েছে। অনেক ইউনিয়নের রাস্তাঘাট,বাড়িঘরে পানি উঠেছে। জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাখরশাল কুশিয়ারা ডাইকে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান,উপজেলার বিস্তারিত…

(46 বার পড়া হয়েছে)

প্রবাসী মাসুম আহমদের গ্রামের বাড়ীতে আর্তনাদ

কানাইঘাট প্রতিনিধি ঃ ফ্রান্স প্রবাসী এখলাছুর রহমান মাসুমের জন্য দোয়া আর আর্তনাদের মধ্য দিয়ে তার গ্রামের বাড়ীতে সময় পার করছেন মা, বাবা ও আত্মীয় স্বজন। জানা যায়, কানাইঘাটের এক মেধাবী শিক্ষার্থী ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে গিয়ে মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ১লা জুন দেশে ফেরার পথে অদ্যবধি পর্যন্ত তার সঠিক কোন সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। সে কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক ইউপির জুলাই গ্রামের সবজি বিস্তারিত… (134 বার পড়া হয়েছে)

দেশের চতুর্থ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সিলেটে

medical-tourism# আওয়ামীলীগের অভিনন্দন
স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা স্বপ্ন পূরনের পথে এগিয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছেন। এই অনুমোদনের ফলে চট্টগ্রাম-রাজশাহীর পর সিলেটে দেশের চতুর্থ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মিত হবে দক্ষিণ সুরমায়। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে অর্ধ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপস্থিতিতে এ কথা জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বিস্তারিত… (155 বার পড়া হয়েছে)

সিলেটে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত || তামাক নিয়ন্ত্রণে তামাকজাত দ্রব্যের উপর কর বৃদ্ধি করতে হবে

inti tobacco media alliance rallyস্টাফ রিপোর্টারঃ ‘তামাক উন্নয়নের অন্তরায়’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বুধবার সিলেটে পালিত হয়েছে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস। র‌্যালী ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও অন্যান্য জেলায় তামাকমুক্ত বিবস পালন করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের উপর কর বৃদ্ধি। তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে স্কুল-কলেজসহ সকল সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠাতে ব্যাপক গণসচেতনতা বৃদ্ধি করার কথা তুলে ধরেন বক্তারা। বিস্তারিত… (117 বার পড়া হয়েছে)