20 Nov 2017 : সিলেট, বাংলাদেশ :     |Bangla Font Error | Login |

পাতাঃ ছবি পোস্ট

শাহজালালের (রহ.) মাজারে ‘জমজম কুপের’ পানির নামে প্রতারণা, তদন্তের নির্দেশ

mazar-14957

স্টাফ রিপোর্টার : হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে ডিপ টিউবওয়েলের পানিকে ‘জমজম’ কুপের পানি বলে বিক্রির মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে দুই জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৫/৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে গতকাল রোববার এ মামলা দায়ের করেন কদমতলীর দারিয়া শাহ মাজার রোডের এম. এ কুদ্দুস ভিলার বাসিন্দা এইচ.এম. আব্দুর রহমান। আদালত দরখাস্ত গ্রহণ করে শুনানী শেষে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দিতে ইসলামীক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার সংলগ্ন মসজিদে গত ১০ অক্টোবর বিকেল অনুমান সাড়ে ৩ টায় আসরের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে যান এইচ এম আব্দুর রহমান। নামাজ শেষে মসজিদের পশ্চিম পার্শ্বে ঝর্ণার পাড় দিয়ে দেখতে পান কিছু লোক জমজমের পানি বিক্রি করছে। সরল বিশ্বাসে ৫০ টাকা দিয়ে দুই বোতল পানি কিনতে যান। পরবর্তীতে ৩১ অক্টোবর একাত্তর টিভিতে এ বিষয়ে প্রচারিত হয় একটি প্রতিবেদন।

এর পর বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন এইচ এম আব্দুর রহমান। এ ব্যাপারে এইচ এম আব্দুর রহমান জানান ‘গত ১০ অক্টোবর বিকেলে আমি দরগাহ যাই। তারপর দরগাহে জমজম কুপের পানি বিক্রি হচ্ছে দেখি। হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের ডিপ টিউবওয়েল থেকে পানি বোতলে করে নিয়ে জমজম কুপের পানি বলে সরল বিশ্বাসের মানুষের কাছে বিক্রি মাধ্যমে প্রতারণা করা হয়। এ ঘটনায় এইচ এম আব্দুর রহমান গত ১৮ নভেম্বর পুনরায় ঝর্ণার পার গিয়ে প্রতারণা সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নাম সংগ্রহ করেন।

রোববার জনস্বার্থে তিনি সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার ঝর্ণার পারের বাসিন্দা শাহীন মিয়া ও আব্দুস ছাত্তারের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৫/৭ জনের বিরুদ্ধে দরখাস্ত মামলা দায়ের করেন। যার নং ১৫৬২/১৭ ধারা ৪০৬/৪২০ দন্ডবিধি। আদালত দরখাস্ত গ্রহণ করে ২০২ ধারা মোতাবেক অভিযোগটি তদন্ত করে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেটের উপ-পরিচালককে নির্দেশ দেন।

(24 বার পড়া হয়েছে)

নগরীতে চলছে স্মার্ট কার্ড বিতরণ, দেখে নিন আপনার পাড়ায় কোনদিন

How to get Smart Card Bangladesh

মুনশী ইকবাল : সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিতরণ কার্যক্রম চলবে আগামী বছরের ৯ মে পর্যন্ত। এরই মধ্যে ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে কার্ড বিতরণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে ৩ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরণ । কার্ড নেবার জন্য প্রত্যেককে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে করে নিয়ে আসতে হবে।

কবে কোথায় কার্ড বিতরণ করা হবে: ৩ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে চলবে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ে। আজ ২০ নভেম্বর দেয়া হবে পশ্চিম কাজলশাহ ২১ নভেম্বর দেয়া হবে পুলিশলাইন ও কেওয়াপাড়া আর ২২ নভেম্বর দেয়া হবে মুন্সিপাড়া এলাকার কার্ড।

৪ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২৫, ২৬ এবং ২৭ নভেম্বর আম্বরখানা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এন্ড কলেজ হাউজিং এস্টেটে। এর মধ্যে ২৫ নভেম্বর দেয়া হবে গড় দুয়ার, ২৬ নভেম্বর দেয়া হবে কোনাপাড়া ও হাউজিং এস্টেট, ২৭ নভেম্বর দেয়া হবে দত্ত পাড়া, মনিপুরী পাড়া ও হানি টোলা এলাকার কার্ড।

৫নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২৯ ও ৩০ নভেম্বর এবং ২, ৩ ও ৪ ডিসেম্বর জামেয়া মদিনাতুল উলুম দারুস সালাম মাদরাসা খাসদবীরে। এর মধ্যে ২৯ নভেম্বর দেয়া হবে আম্বরখানা বড়বাজার, ৩০ নভেম্বর কলবাখানি ও ওয়াপদা কলোনী, ২ ডিসেম্বর খাসদবীর এবং ৩ ডিসেম্বর গোয়াইপাড়া ও রায় হোসেন এবং ৪ ডিসেম্বর হাজারীবাগ এলাকার কার্ড।

৬ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৭, ১৮, ১৯, ২০ এবং ২১ ডিসেম্বর আনোয়ারা মতিন একাডেমি চৌকিদেখিতে। এর মধ্যে কেবল ১৭ ডিসেম্বর চৌখিদেখি পূর্ব এলাকার পুরুষদের এবং ১৮ ডিসেম্বর একই এলাকার মহিলাদের কার্ড আলাদাভাবে বিতরণ করা হবে। ১৯ ডিসেম্বর বিতরণ করা হবে মালি পাড়া বাদাম বাগিচা, ২০ ডিসেম্বর চৌকিদেখি পশ্চিম, ২১ ডিসেম্বর পীর মহল্লা ও সৈয়দ মুগনী এলাকার কার্ড।

৭ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ৬,৭,৯,১০,১১,১২ এবং ১৩ ডিসেম্বর প্রাইমারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (পিটিআই) সুবিদবাজারে। এরমধ্যে ৬ ডিসেম্বর পশ্চিম পীর মহল্লার পুরুষদের ও ৭ ডিসেম্বর একই এলাকার মহিলাদের এবং ১১ ডিসেম্বর মুগলীটুলার পুরুষদের ও ১২ ডিসেম্বর একই এলাকার মহিলাদের আলাদাভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া ৬ ডিসেম্বর সুবিদবাজার পূর্ব, ৭ ডিসেম্বর বানিয়া মহল্লা, ৯ ডিসেম্বর জালালাবাদ আবাসিক এলাকা, ১০ ডিসেম্বর ফাজিল চিশত ও সুবিদ বাজার ছয়েব খান রোড, ১১ ডিসেম্বর হাতার হাওর এবং ১৩ ডিসেম্বর সুবিদবাজার নয়া বসতি ও উমর কাঠগড় এলাকার কার্ড।

৮ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২৩,২৪,২৫,২৬,২৭ ২৮ এবং ৩০ ডিসেম্বর শাহজালালা জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায়। এর মধ্যে ২৩ ডিসেম্বর ব্রহ্মণশাসন ও পাঠানটুলা পশ্চিম, ২৪ ডিসেম্বর পনিটোলা, ২৫ ডিসেম্বর করের পাড়া, ২৬ ডিসেম্বর কুচার পাড়, চান্দাই গির্জা, কলোনী-১, কলোনী-২ এবং কলোনী-৩ এলাকার কার্ড, ২৭ ডিসেম্বর নোয়াপাড়া, ২৮ ডিসেম্বর ভট্টাপাড়া, পানতলা, হারিখাই, চড়ারপাড়, কালীবাড়ি এবং হাওলদার পাড়ার এবং ৩০ ডিসেম্বর দর্জিপাড়া,কারীপাড়া ও পাঠানটুলা পূর্ব এলাকার কার্ড।

৯ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১,২,৪,৬ এবং ৭ জানুয়ারী ২০১৭ পাঠানটুলা দ্বি পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ১ জানুয়ারী বাগবাড়ী এলাকার পুরুষদের এবং ২ জানুয়ারী একই এলাকার মহিলাদের আলাদাভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া ১ জানুয়ারী আখালীঘাট, ৩ জানুয়ারী সাগর দিঘীর পাড়, ৪ জানুয়ারী নরশিং টিলা, ৬ জানুয়ারী নিহারীপাড়া ও এতিম স্কুল রোড এবং ৭ জানুয়ারী নগর, খুলিয়াপাড়া, ধানু কাটার পার ও আখালিয়া বাজার এলাকার কার্ড।

১০ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২৫,২৭,২৮,২৯,৩০ এবং ৩১ জানুয়ারী ঘাশিটুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এর মধ্যে ২৫ জানুয়ারী ঘাষিটুলা এলাকার পুরুষ এবং ২৭ জানুয়ারী একই এলাকার মহিলাদের আলাদাভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া ২৮ জানুয়ারী কলাপাড়া, ২৯ জানুয়ারী ওয়াপদা, ৩০ জানুয়ারী ডহর ও মজুমদার পাড়া এবং ৩১ জানুয়ারী কানিশাইল এলাকার কার্ড।

১১ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে এলাকা ভিত্তিতে ৩,৪,৫,৬ এবং ৭ ফেব্র“য়ারী ভাতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ৩ ফেব্র“য়ারী লালাদিঘীর পার, ৪ ফেব্র“য়ারী মধুশহীদ, ৫ ফেব্র“য়ারী ভাতালিয়া ও লামাবাজার, ৬ ফেব্র“য়ারী নোয়াপাড়া এবং ৭ ফেব্র“য়ারী বিলপার, সচিলাপুর, রিকাবীবাজার এবং কুয়ারপার উত্তর এলাকার কার্ড।

১২ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১০,১১,১২ এবং ১৩ ফেব্র“য়ারী মঈমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। এর মধ্যে ১০ ফেব্র“য়ারী দেয়া হবে ইটাখোলা, ভাঙ্গাটিকর ও শেখঘাট ১ম অংশ, ১১ ফেব্র“য়ারী শেখঘাট ২য় ও ৩য় অংশ, ১২ ফেব্র“য়ারী শেখঘাট ৪র্থ অংশ, সওদাগর টুলা ও শেখঘাট কলোনী এবং ১৩ ফেব্র“য়ারী কুয়ারপার দক্ষিণ এলাকার কার্ড।

১৩ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৫,১৭,১৮ এবং ১৯ ফেব্র“য়ারী মির্জাজাঙ্গাল জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ১৫ ফেব্র“য়ারী কার্ড দেয়া হবে তোপখানা, গির্জার পশ্চিম ও রামের দিগীর পার, ১৭ ফেব্র“য়ারী লামাবাজার, খুলিয়াটুলা ও মনিপুরি রাজবাড়ি, ১৮ ফেব্র“য়ারী মাছুদিঘীর পার, তালতলা, তেলি হাওর ও কাজিরবাজার এলাকার কার্ড এবং ১৯ ফেব্র“য়ারী মুগলিটুলা, চাদনীঘাট, শেখ নাজির আলী, মির্জাজাঙ্গাল দক্ষিন ও জামতলা এলাকার কার্ড।

১৪ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ৯,১০ এবং ১১ জানুয়ারী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ৯ জানুয়ারী দেয়া হবে ধোপাদিঘীর দক্ষিণপার, ব্রহ্মময়ী বাজার, আমজাদ আলী রোড, কালিঘাট, কাস্টঘর ও চালিবন্দর পশ্চিম, ১০ জানুয়ারী ছড়ার পার এবং ১১ জানুয়ারী বন্দরবাজার মহাজন পট্টি, কামালগড়, তালতলা উত্তর, জল্লারপাড়, জেলা জজ ও জেলা প্রশাসন, শেখ জিয়া উল্লাহ, কার্পাস টুলা এবং লালদিঘীর উত্তরপার এলাকার কার্ড।

১৫ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরন করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৪,১৫ এবং ১৬ জানুয়ারী শাহজালালা জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজ মিরাবাজারে। এর মধ্যে ১৪ জানুয়ারী দেয়া হবে পুরানলেন, বারুতখানা, জেলরোড, বেতবার টুলা, পঞ্চখানা, নন্দাই পট্টি, পর্বত খানা, লালবাজার, ধোপা দিঘীর পূর্বপার ও ছন্দনীটুলা, ১৫ জানুয়ারী মিরাবাজার দক্ষিন, চালিবন্দর পূর্ব, সোবহানীঘাট ও নাইওরপুল এবং ১৬ জানুয়ারী যতরপুর, জয়নগর এবং নয়াপাড়া এলাকার কার্ড।

১৬ নং ওয়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৮,২০,২১ এবং ২২ জানুয়ারী কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নয়াসড়কে। এর মধ্যে ১৮ জানুয়ারী দেয়া হবে হাওয়াপাড়া, তাঁতীপাড়া ও খন্দকার টুলা, ২০ জানুয়ারী নয়া সড়ক ও চারা দিঘীর পার, ২১ জানুয়ারী মজলিশ আমিন, কুমারপাড়া ও সওদাগর টুলা এবং ২২ জানুয়ারী খান্দাউড়া, ধোপাদিঘীর উত্তরপার, নাইওরপুল, খ্রিষ্টান মিশন, শাহচান গাজী, বেতবাটুলা পূর্ব জিন্দাবাজার ও দক্ষিন চৌহাট্টা এলাকার কার্ড।

১৭ নং ওয়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২২,২৪,২৫,২৬ এবং ২৭ ফেব্র“য়ারী কাজী জালাল উদ্দিন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ২৪ ফেব্র“য়ারী কাজীটুলা এলাকার পুরুষ এবং ২৫ ফেব্র“য়ারী একই এলাকার মহিলাদের আলাদাভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া ২২ ফেব্র“য়ারী কাজী জালাল উদ্দিন, ২৬ ফেব্র“য়ারী মোহলে আবদুল্লাহ, আম্বরখানা পূর্ব ও চন্দনটুলা এবং ২৭ ফেব্র“য়ারী চৌহাট্টা উত্তর, মীরবক্স টুলা ও মানিকপীর রোড এলাকার কার্ড।

১৮ নং ওয়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১,৩,৪,৫ এবং ৬ মার্চ মডেল হাই স্কুল মিরাবাজারে। এর মধ্যে ১ মার্চ কার্ড দেয়া হবে উত্তর মিরাবাজার ও আগপাড়া, ৩ মার্চ শাহী ঈদগাহ ও ব্রজনাথ টিলা, ৪ মার্চ ঝরনার পার ও ঝেরঝেরী পাড়া, ৫ মার্চ কামারপাড়া পূর্ব ও মুক্তারখানির মানি পূর্ব এবং ৬ মার্চ শাখারিপাড়া, ভাইয়ারপাড়া, সোনাতলা ও রায়নগর পশ্চিম এলাকার কার্ড।

১৯ নং ওয়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ৮,১০,১১,১২ এবং ১৩ মার্চ হাজী শাহ মির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শাহী ইদগাহে। এরমধ্যে ৮ মার্চ দেয়া হবে দর্জিপাড়া, দর্জিবন্দ-১ ও আলমটুলা, ১০ মার্চ সোনাপাড়া ও দপ্তরীপাড়া, ১১ মার্চ রায়নগর পূর্ব, মুক্তার খাকির মানি ও খারপাড়া, ১২ মার্চ ধুলীশাহী ঈদগাহ এবং ১৩ মার্চ দার্জবন্দ-২ এলাকার কার্ড।

২০ নং ওয়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৫,১৮,১৯ এবং ২০ মার্চ সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয় সাদীপুরে। এর মধ্যে ১৫ মার্চ দেয়া হবে ভাটাটিকর, সাদীপুর ও রায়নগর, ১৮ মার্চ গোপালটিলা, নাথপাড়া ও দক্ষিণ বালুটর, ১৯ মার্চ মজুমদারপাড়া, ধোপার ব্রাহ্মণপাড়া ও আদিত্যপাড়া এবং ২০ মার্চ খরাদিপাড়া, দেবপাড়া, লাকড়ীপাড়া, শিবগঞ্জ ও দাসপাড়া এলাকার কার্ড।

২১ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২২, ২৪, ২৫, ২৭ এবং ২৮ মার্চ সৈয়দ হাতিম আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এর মধ্যে ২২ মার্চ দেয়া হবে সোনাপাড়া, ২৪ মার্চ দেয়া হবে ভাটটিকর, কলাশিল, টিকরিপাড়া, নিসকর পাড়া, রাজপাড়া ও কল্যাণপুর শাপলাবাগ, ২৫ মার্চ বাদুরলটকা, খিন্ডিকর পাড়া-২, গঙ্গাদাস ও ব্রাহ্মণপাড়া শিবগঞ্জ, ২৭ মার্চ ঠাকুরপাড়া, তৈয়াটিকর গোপালবাগ, ছাপারবন্দ পাড়া ও খন্ডিকর পাড়া-১ এবং ২৮ মার্চ লামাপাড়া উত্তর ও পূর্ব এলাকার কার্ড।

২২ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ৩১ মার্চ এবং ১,২ ও ৩ এপ্রিল শাহজালাল উপশহর উচ্চ বিদ্যালয় ব্লক-বি । এরমধ্যে ৩১ মার্চ দেয়া হবে উপশহর ব্লক এ ও সি, ১ এপ্রিল উপশহর ব্লক বি, ২ এপ্রিল উপশহর ব্লক ডি ও ব্লক ই এবং ৩ এপ্রিল উপশাহর ব্লক এফ, জি, এইচ, আই ও টিলাবাড়ী ব্লক জি এলাকার কার্ড।

২৩ নং ওর্য়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ৫,৭ এবং ৮ এপ্রিল আব্দুল হামিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাছিমপুরে। এরমধ্যে ৫ এপ্রিল মাছিমপুর এলাকার পুরুষ এবং ৭ এপ্রিল একই এলাকার মহিলাদের আলাদাভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া ৫ এপ্রিল দেওয়ারবাগ, ৭ এপ্রিল দূরবি হাওর এবং ৮ এপ্রিল মেন্দীবাগ, উপকণ্ঠ ও দক্ষিন সাদিপুর এলাকার কার্ড দেয়া হবে।

২৪ নং ওর্য়াডে কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১০,১১,১২,১৫ এবং ১৬ এপ্রিল গাজী বুরহান উদ্দিন জামিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা কুশিঘাটে। এরমধ্যে ১০ এপ্রিল দেয়া হবে তেররতন, ১১ এপ্রিল টুলটিকর, মীরাপাড়া পশ্চিম ও সৈদানিবাগ, ১২ এপ্রিল সাদারপাড়া, নোয়াবাজার ও তৈয়াটিকর গোপালবাগ, ১৫ এপ্রিল গঙ্গাদাস হাতিমবাগ, কল্যাণপুর শাপলাবাগ, লামাপাড়া পূর্ব ও কুশিঘাট এবং ১৬ এপ্রিল সাদাটিকর ও উত্তর সাদিপুর এলাকার কার্ড।

২৫ নং ওয়ার্ডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ১৯,২১,২২ এবং ২৩ এপ্রিল কায়স্থরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ১৯ এপ্রিল দেয়া হবে খোজারখলা, ২১ এপ্রিল গাঙ্গু দক্ষিণ পশ্চিম, বারোখলা ও ভার্থখলা দক্ষিন, ২২ এপ্রিল মুমিন খোলা পূর্ব পশ্চিম এবং ২৩ এপ্রিল কাজিরখলা ও দাউদপুর এলাকার কার্ড।

২৬ নং ওর্য়াডের কার্ড বিতরণ করা হবে পাড়া ভিত্তিক ২৫,২৬,২৮,২৯ ৩০ এপ্রিল এবং ২ মে দক্ষিণ সুরমা নছিবা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ২৮ এপ্রিল কদমতলী এলাকার পুরুষ এবং ২৯ এপ্রিল একই এলাকার মহিলা ও ৩০ এপ্রিল ভার্থখলা উত্তর এলাকার পুরুষ এবং ২ মে একই এলাকার মহিলাদের মধ্যে আলাদাভাবে কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া ২৫ এপ্রিল দেয়া হবে সাদুরবাজার, ২৬ এপ্রিল গাঙ্গু উত্তর ও ঝালোপাড়া, ৩০ এপ্রিল মুমিনখোলা পূর্ব এলাকার কার্ড।

২৭ নং ওর্য়াডের পাড়া ভিত্তিক কার্ড বিতরণ করা হবে ৫,৬,৭,৮ এবং ৯ মে গোটাটিকর উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরমধ্যে ৫ মে দেয়া হবে আলমপুর ও গোটাটিকর, ৬ এপ্রিল গোটাটিকর, পৈত্যপাড়া, ৭ এপ্রিল পাঠানপাড়া, ৮ এপ্রিল ষাটঘড় ও হবিনন্দি এবং ৯ মে আচার্য্য পাড়া, যুগিশাসন, সামাল হাছান, মজলিশপুর ও কৃষানপাড়া এলাকার কার্ড।

(175 বার পড়া হয়েছে)

বিপার অন্যরকম পাঠশালা

bipa patshala

খালেদ আহমদ: পড়ালেখা ছেড়েই দিয়েছিলাম। অভাবের সংসার। বাবা থেকেও নেই। আমাদের ছেড়ে অন্য নারীকে নিয়ে সংসার করছে। আমি তখন মাত্র তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। ৫ ভাইবোনের সংসারে মা-ই একমাত্র উপাজৃনকারী। অন্যের বাসায় কাজ করে আমাদের ভরণপোষণ চালানোতেই হিমশিম খাচ্ছেন। এ অবস্থায় পড়ালেখার খরচ আসবে কোথা থেকে? এমন সময়ে অন্ধকার জীবনে আলো হয়ে এসেছেন বিপা আপু। আমি এবার এসএসসি পরীক্ষা দেব। বই, খাতা খরচ যা প্রয়োজন সব দিচ্ছে এই আপু। গত তিন দিন ধরে অসুস্থ্য। বিপা আপু ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছে। ডাক্তার অনেকগুলো পরীক্ষা দিচ্ছে। সব টাকা দিচ্ছে আপু। ওষুধ কিনে দিচ্ছে। মাঝে মাঝে মজার খাবার নিয়ে আসে। শুধু আমি এই এ কলোনীতে যত ছেলেমেয়ে আছে প্রায় সকলের দেখাশোনা করে বিপা আপু। অনেকেরই বই, খাতা, পড়ালেখার খরচ দিচ্ছেন তিনি। এমনকি নিজের জন্মদিনও আমাদেরকে নিয়ে জন্মদিন পালন করেন।

এই কথাগুলো বলছিল নগরীর বালুচর নয়াবাজার এলাকার আনহার মিয়ার কলোনীর বাসিন্দা শরিফা বেগম। শরিফা এ বছর বালুচর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরক্ষিায় অংশ নেবে। আনহার মিয়ার কলোনীতে অন্তত ১০ টি পরিবারের বসবাস। এখানে অন্যরকম পাঠশালা গড়ে তুলেছেন বিপা। পুরো নাম নাজনীন নাহার বিপা। পড়েন সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে ভেটেরিনারী অ্যানিমেল এন্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগে। থাকেন নয়াবাজার এলাকায়।

ঢাকা মিরপুরের বাসিন্দা বিপাদের গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের শুঁড়িগাও গ্রামে। দাদা আফতাব উদ্দিন ছিলেন নামকরা সমাজসেবী। বাবা এম এ সালাম পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ভিকারুননেছা নুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে ভর্তি হন সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে। ছোটবেলা থেকেই মানুষকে নিয়ে ভাবেন বিপা। সমাজের অসহায় শিশুদের জন্য কাজ করার স্বপ্ন বুনেন।

বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তির পর নয়াবাজার আনহার মিয়ার কলোনীর পাশ দিয়ে রিকশা যোগে একদিন বাসায় ফিরছিলেন বিপা। হঠাৎ দেখতে পান কয়েকটি অনাথ শিশু খালিগায়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মাটির তৈরি খেলনা নিয়ে খেলছে। নেমে যান রিকশা থেকে। এ শিশুদের কোলে নিয়ে ঢুকে পড়েন কলোনীতে। মা-বাবার কাছে টাকা দিয়ে ওদেরকে সুন্দর খেলনা কিনে দিতে বলেন। পুরো কলোনী ঘুরে দেখেন অসংখ্য শিশুর মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র। শিক্ষাবঞ্চিত এসব শিশুদের জন্য প্রথমেই শিক্ষার ব্যবস্থা করেন। সময় নিয়ে কলোনীতে এসে এদের জ্ঞান দেন। ওদের জন্য খাতা কলম, বই কিনে নিয়ে আসেন। সবাইকে একসাথে বসিয়ে পাঠদান করতে থাকেন। কলোনীতে ৭ জন ছেলেমেয়ে রয়েছে যারা বিদ্যালয়ে যায়। কিনউত বই, কাতার অভাবে এরা ঝরে পড়ার উপক্রম। বিপা এদের জন্য তাৎক্ষণিক বই, খাতা, কলম, স্কুলের খরচের ব্যবস্থা করেন। যারা স্কুলে যায় না তাদের বর্ণমালা বই কিনে দিয়েছেন। সপ্তাহে ৩/৪ দিন ওদেরকে পড়াতে যান। কলোনীর বাসিন্দারা বিপাকে আপন করে নিয়েছেন। মা-বাবারা তাকে মেয়ের মতই ¯েœহ করেন। বিপাও তাদের ভালবাসায় মুগ্ধ। জানালেন পড়ালেখার পাশাপাশি আমি ওদেরকে নিয়েই ভাবি। ওরা আমার আপনজন।

জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে সাহিদা বেগম। তাই নিয়মিত সাহিদার খোঁজকবর রাখেন বিপা। সাহিদার মা বানু বেগম বলেন, বিপা আমার মেয়ে হয়ে গেছেন। সবসময় আমাদের খোঁজখবর নেন। ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার খরচ দেন। ওদেরকে এসে পড়ান। আসার সময় নানা রকম খাবার নিয়ে আসেন। শরিফার খালা ফিরোজা খাতুন বলেন, এমন লক্ষ্মী মেয়েকে পেয়ে কলোনীর সকল মানুষ বেবাক খুশী। কয়জনে এমনটা করে। তিনি বিপার জন্য নিয়মিত দোয়া করেন বলে জানান।

এসব প্রসঙ্গে নাজনীন নাহার বিপা বলেন, আমি হয়ত ওদের জন্য শুরু করেছি। শেষটা করতে পারবো কিনা জানিনা। এ জন্য আরো উদ্যমী মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। শরিফাদের মুখে হাসি ফোটাতে প্রয়োজন সহযোগিতা। সরকার, বিভিন্ন এনজিও সংস্থা, সমাজ হিতৈষী মানুষ এগিয়ে আসলে ওরা আলোকিত হবে। এগিয়ে যাবে সমাজ, দেশ। গড়ে উঠবে সুন্দর পৃথিবী।

(66 বার পড়া হয়েছে)

লাগামহীন সিলেটের সবজি বাজার

sobji

মুনশী ইকবাল: সিলেটের সবজি বাজারে বর্তমানে যেনো অগ্নি হাওয়া বইছে। গত প্রায় তিন সাপ্তাহ ধরে বাজারে সব ধরণের পণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী। কিছু কিছু তরকারীর দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। অনেকটা লাগামহীন ভাবেই বাড়ছে প্রতিটি পণ্যের দাম। চল্লিশ টাকার নীচে বলতে গেলে কোনো সবজিই পাওয়া যাচ্ছেনা। প্রায় সবধরণের সবজির দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে উঠানামা করছে। সেই তুলনায় কেবল পেঁপের দাম কিছুটা কম দেখা গেছে। সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে কাঁচা মরিচ এবং লেবুর দাম। কাঁচামরিচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২শ টাকা কেজি আর লেবু ৪০ টাকা হালি। আবার বাজার ভেদে দামের বেলায়ও কিছুটা তারতম্য দেখা গছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেই তারতম্য কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। একই অবস্থা শাকের বেলায়। এর ফলে কেবল যে নিু আয়ের মানুষেরই নাবিশ্বাস উঠছে তা নয় বরং চিন্তার রেখা স্পষ্ট দেখা দিয়েছে অনেক উচ্চবিত্তদের বেলায়ও।

নগরীর প্রায় সবগুলো বাজারেরই একই অবস্থা। তবে বাজারের এই চিত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের। ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন অসাধু সিন্ডিকেটের কারণে ব্যবসায়ীরা বেশি দাম বাড়াচ্ছে আর বিক্রেতারা বলছেন বাজরে পন্য সরবরাহ কম। ফলে বেশি দামে তাদের পন্য কিনে আনতে হচ্ছে। আর বাজার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলছেন কয়েক দফা বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে এবার সবজির আবাদ ব্যহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। তবে অক্টোবরের শেষের দিকে নতুন সবজি বাজারে এলে দাম অনেকটা কমে আসবে বলে জানান তারা।

বৃহস্পতিবার নগরীর কাঁচাবাজারগুলোতে দেখা গেছে সবজির দাম বেশ চড়া। নগরীর বন্দরবাজারের লালবাজার ও ব্রহ্মময়ীবাজার, আম্বরখানা বাজার, রিকাবীবাজার, কাজিরবাজার সহ বেশিকিছু ছোটবড়ো বাজার এবং সবজিওয়ালাদের কাছে ঘুরে দেখা গেছে
সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ ২শ টাকা কেজি। এছাড়া পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, করোলা, ঝিঙে, শসা এবং টমেটো মান ও আকার ভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুর মুখি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা, আলু ১৫ থেকে ১৮ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, সীম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা এবং মূলা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে কেজি। ঢেড়স বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। এছাড়া লেবু বুড়ো আকারের একটি ১শ থেকে ১শ ২০ এবং ছোট লেবু হালি প্রতি ৪০ টাকা। লাল শাঁক বিক্রি হচ্ছে আটি প্রতি ৪০ টাকা। পুঁইশাক বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। প্রতিটি সবজিতে দুই সাপ্তাহের ব্যবধানে এই অনুপাতে দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মতো। সেই ক্ষেত্রে কিছু কিছু সবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ।

বাজারের এই অবস্থায় ক্রেতাদের অনেকে জানান তারা দুই সাপ্তাহ আগে যে দামে সবজি কিনেছেন এখন তার চেয়ে দ্বিগুণ দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়ে সবজি কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। নিতান্ত যেটুকু প্রয়োজন কেবল সেটুকুই কিনে বাড়ি ফিরছেন। তারা বলছেন এটা ব্যবসায়ীদের অসাধু কারসাজি কিনা সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। কেননা সবজির দাম বাড়তে পারে কিংবা কমতে পারে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু দাম বাড়ার বেলায় এতো বেশি তা কোনোভাবেই স্বাভাবিক হতে পারে না। নগরীর বন্দরবাজারে কথা হয় সোবহানী ঘাট এলাকার সিরাজ উদ্দিনের সাথে। তিনি জানান, তার ডায়াবেটিস। তাই তার খাবারে মূলত সালাদ এবং সবজিই বেশি থাকে। গত দুই সাপ্তাহ আগে তিনি যে শশা ৩৫ টাকা দিয়ে কিনেছেন সেই শশা এবার তার কাছে ৭০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। কদিন আগে যে লেবু ১২ টাকা দিয়ে হালি কিনেছেন সেই লেবু দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকায়। তিনি বলেন বাজারের এই অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে যেনো এর লাগাম টেনে ধরার কেউ নেই। সুযোগ পেলেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেয়। এমনিতেই চালের বাজারে উর্ধ্বগতি তার উপর তরকারি বা সবজির এই অবস্থায় মানুষজন কিভাবে খেয়ে বাঁচবে।

দাম বাড়ার ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা বলছেন বাজারে সবজির সরবরাহ কম তাই দাম বেশি। কয়েক দফা বন্যা আর বৃষ্টির কারণে এবার নিয়মিত সবজির আবাদ ব্যহত হয়েছে। তার উপর গত কিছুদিন আগের কয়েকদিনে বৃষ্টিতে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে এর প্রভাব বাজারে পড়েছে। নগরীর প্রসিদ্ধ সবজি বাজার ব্রহ্মময়ী বাজার ব্যবসায়ী সমিতি নেতা মো.আতিকুর রহমান জানান, গেলো কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাছাড়া এবারের বন্যার কারণে কৃষকরা সবজির আবাদ করতে পারেননি। ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ কম। সিন্ডিকেটের বেলায় তিনি বলেন, কাঁচাবাজারে সিন্ডিকেটের সুযোগ নেই। আসল কথা হলো বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে সবজির আবাদ অন্য বারের মতো হয়নি। সবজির আবাদ না হওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কম। আগামী কিছুদিনের মধ্যে নতুন সবজি বাজারে এলে দাম কমে যাবে। বাজার ভেদে দামের তারতম্যের বেলায় তিনি বলেন, এটা মানের উপর নির্ভর করে। ভালো মানের সবজির বেলায় দাম কিছুটা বেশি। যেসব সবজি এক বাজারের তুলনায় অন্য বাজারে কিছুটা কমে মিলছে সেগুলো মানের দিক দিয়েও বেশ পার্থক্য লক্ষ করা যায়।

এ ব্যাপারে সিলেট জেলা বাজার কর্মকর্তা শাহ মো. মোরশেদ কাদের জানান, বাজারে সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম কিছুটা চড়া। সরবরাহ কম থাকলে দাম কিছুটা বেশি হয়ে থাকে। তাছাড়া এবারের বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে সবজির আবাদে সমস্যা হয়েছে। ফলে এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। তবে অক্টোবরের শেষের দিকে নতুন সবজি এলে সেই সমস্যা থাকবেনা বলে জানান তিনি।

(396 বার পড়া হয়েছে)

ছাতকে ভীমরুলের কামড়ে ৩ জন নিহত, আহত ৩

vimrulছাতক সংবাদদাতাঃ ছাতকে ভীমরুল পোকার আক্রমনে ৩জন নিহত ও আহত হয়েছেন আরো ৩জন। একসপ্তাহের মধ্যে এসব হতাহতের ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যায়, বুধবার উপজেলার ছৈলা-আফজালাবাদ ইউপির কহল্লা গ্রামের আবুল কালামের পুত্র হাসান আহমদ (৮) লাকড়ি সংগ্রহের সময় ভীমরুল পোকার আক্রমনে গুরুতর আহত হয়। বিস্তারিত… (316 বার পড়া হয়েছে)

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিনে সিলেটে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

sheikh-hasina-1-sizedপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদে বাদ যোহর এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, বিস্তারিত… (148 বার পড়া হয়েছে)

কুলাউড়ায় অভিযানে উন্মত্ত হাতি আটক

এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, কুলাউড়া থেকে ঃ কুলাউড়া উপজেলার মেরীনা চা-বাগানের ৮নং সেকশনে অবস্থান নেয়া এক উন্মত্ত হাতিকে বৃহস্পতিবার ঢাকার চিড়িয়াখানা ও কক্সবাজার ডুলহাজরা সাফারী পার্কের দু’টিমের অভিযানে হাতিকে নিস্তেজ করে আটক করা সম্ভব হয়েছে।
বন বিভাগসুত্রে জানা যায় জুরী উপজেলার মামুনুর রশীদের নিয়ন্ত্রনহীন উম্মত্ত একটি হাতির আক্রমনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মেরিনা চা-বাগানের ৮নং সেকশনে কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মনছড়া নিবাসী গনি মিয়া (৪৫) নামে এক মাহুত মারা যাওয়ার পর সোমবার ঢাকা থেকে ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল¬াহ আল সাদিক এবং বিস্তারিত… (100 বার পড়া হয়েছে)

ছাতকে মিনিবাস পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১০

Durgotonaছাতক প্রতিনিধিঃ ছাতকে মিনিবাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দু’নির্মাণ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় মহিলাসহ ১০জন শ্রমিক আহত হয়। বুধবার রাত ৯টায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের জাতুয়াবাজার এলাকায় এঘটনা ঘটে। বিস্তারিত… (128 বার পড়া হয়েছে)

সিলেটে ভৌতিক বিলে বিক্ষুদ্ধ গ্রাহকদের বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

biddutমো. শাফী চৌধুরী
সিলেট জুড়ে প্রদান করা হচ্ছে ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল। এ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকরা বার বার অভিযোগ করেও পাচ্ছেন না সমাধান। সর্বশেষ কোন সমাধান না পেয়ে ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল প্রদানের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ-২ এর মিরাবাজার অফিস ঘেরাও করেছে গ্রাহকরা। এ সময় অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে গ্রাহকদের বাকবিতন্ডা করতে দেখা যায়। পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্বাসে তারা ঘেরাও তুলে নেন।
জানা যায়, বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সিলেটের এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক মাস যাবত ভৌতিক বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছেন কর্তৃপক্ষ। অনেকের বিদ্যুৎ বিলে একমাসের ব্যবধানে কয়েক হাজার টাকা বিল প্রদানেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৌখিক ভাবে গ্রাহকরা কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে অভিযোগ করে আসলেও তারা তাতে কোন কর্ণপাত করেন নি। অভিযোগ কারীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, বিগত কয়েক মাস থেকে মিটারের রিডিংয়ের সাথে কোন মিল না রেখে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তারা তার প্রতিবাদ করলে কর্তৃপক্ষ থেকে তাদেরকে এনালগ মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল মিটার স্থাপনের পরামর্শ দেন। ডিজিটাল মিটার স্থাপন করলে মিটারের রিডিংয়ের সাথে বিলের মিল থাকবে বলে আশ্বস্ত করা হয় তাদের। কিন্তু ডিজিটাল মিটার স্থাপনের পরও সেই আগের মত ভৌতিক বিল প্রদান করা হচ্ছে। তাছাড়াও লাইনম্যান মিটার না দেখে বিদ্যুৎ বিল লিখে থাকেন বলে জানান অভিযোগকারীরা। যার ফলে মাসের পর মাস থেকে এ বাড়তি বিল প্রদান করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
রায়নগর এলাকার শাহজাহান আহমদ জুন মাসের তার বাসার একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দেখিয়ে বলেন, জুন মাসে আমার বাসায় ১৭০ ইউনিট বিদ্যুতের বিল প্রদান করা হয়। কিন্তু জুলাই মাসে আমাকে ৯৮৭ ইউনিটের বিল প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি কয়েকবার মৌখিক ভাবে বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করে আসছি। গত আগস্ট মাসে জুলাইয়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ করেছিলাম তখন তারা আশ্বস্ত করেছিলেন আগস্ট মাসে বিলে তা ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এ মাসেও ঠিক হয়নি।
ভৌতিক বিদ্যুত বিলের প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিউবো-২ এর শহরতলীর মুরাদপুর বাইপাস এলাকার গিয়াস উদ্দিন নামে এক গ্রাহক জানান গত তিন মাস ধরে তার বাসায় হঠাৎ করে বড়ো অঙ্কের বিদ্যুত বিল আসা শুরু করে। অথচ তিনি মাত্র একটি ফ্যান আর দুটি লাইট ব্যবহার করেন। তিনি নিয়মিত প্রতি মাসে বিল পরিশোধ করে আসছেন তাই তার কোনো বকেয়াও নেই। তিনি আরো বলেন বিদ্যুত বিলের কাগজ যারা দিতে আসে তারা তাদের মিটারই দেখে না। মিটার না দেখেই অনুমানের উপর ভিত্তি করে তারা এই বিল দিয়ে যায়। তাদের বলেও কোনো লাভ হয়না, তারা বলে মিটার দেখা আছে। এতে করে তার মতো আরো অনেক গ্রাহককে বাড়তি বিলের কারণে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তিনি জানান, তিনমাস আগে হঠাৎ করে তার কাছে ২২ শত টাকার বিলের কাগজ ধরিয়ে দেয়া হয়। পরের মাসে আবার সাড়ে ৩ হাজার বিল আসবে বলে জানান বিলের কাগজ বিতরণকারী। বাড়তি বিল নিয়ে এসময় তিনি তার সাথে কথা বললে বিল বিতরণকারী জানান, তার পুরোনো বিল জমা রয়ে গেছে, তাই ওগুলো দেয়া হচ্ছে। গিয়াস উদ্দিন প্রশ্ন তোলেন প্রতি মাসে বিদ্যুত বিল বিতরণকারীদের বিতরণ করা কাগজ দেখে তিনি যেখানে নিয়মিত বিল পরিশোধ করে আসছেন সেখানে তার বকেয়া বিল কিভাবে থাকে। এটি সুস্পষ্ট প্রতারণা। তার মতো আশপাশের প্রায় সব গ্রাহকের এই একই অভিযোগ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বিদ্যুতের মিটারের ছবি তুলে বিদ্যুৎ বিল তৈরী করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রাইভেট কোম্পানী মুনসী ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশনকে। কিন্তু বিগত কয়েক মাস যাবত তারা বিদ্যুতের মিটারের সাথে কোন সামঞ্জস্য না রেখে বিদ্যুৎ বিল প্রদান করে আসছে। যার কারণে অনেকের মিটারে পূর্বের বিল জমা থেকে যায়। তিনি আরো জানান, অনেক গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে দেওয়ার জন্য লাইনম্যানকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে থাকেন। যার কারণে তারা রিডিং না দেখে লাইনম্যান কম ইউনিটের বিল তৈরী করে দেন গ্রাকদের। যার কারণে মিটারে বিল জমা হয়ে আছে অনেক গ্রাহকের।
এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পারভেজ আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি জানান, মুনসী ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশনকে বিদ্যুতের ¯œ্যাপিং ও বিলিংয়ের কাজ দেওয়া হয়েছিলো। তারা ঠিক মত রিডিং দেখে বিল তৈরী না করার কারণে গ্রাহকদের মিটারে পূর্বের অনেক ইউনিট জমে আছে। যার কারণে এক সাথে সব বিল আসার কারণে গ্রাহকদের নিকট তা ভৈৗতিক বলে মনে হচ্ছে। তিনি আরো জানান, আমি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করেছি। গস্খাহকরা বলছেন যেহেতু তাদের পক্ষে একসাথে এত টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হবে না তাই তা আমরা কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করেন দিবো। (1753 বার পড়া হয়েছে)

তাহিরপুরে মেয়ের আত্মহত্যা, বাবা ও সৎ মা গ্রেফতার

atttohottaতাহিরপুর সংবাদদাতাঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় কলেজ ছাত্রী সাউদি আক্তার সারমিন সুমির (২১) আত্মহত্যার ঘটনায় বাবা সুরুজ সর্দার ও সৎ মা ইয়াছমিন আক্তার কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার দুপুরে নিহত ছাত্রীর মামা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ করে মামলা দায়ের করে। মামলা নং-২০। মামলা দায়েরের পর রাতে নিহত কলেজ ছাত্রীর বাবা ও সৎ মাকে গ্রেফতার করার পর আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরন করছে তাহিরপুর থানা পুলিশ। এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,গত মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০মিনিটে বাড়ির লোকজন দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় সুমি নিজ বাড়ির রান্না ঘরে উড়না পেছিয়ে আতœহত্যা করে। পরে ঝুলন্ত অবস্থায় পরিবারের লোকজন দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাতপাতালে প্রেরন করা হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী আরো জানায়,পিতা সুরুজ মিয়া মদ খেলে প্রায়ই মেয়ে সুমিকে নানান কারনে মারধর করত ও সাথে সৎ মাও শারীরিক নির্যাতন করত। ঘটনার দিনও একেই পরিস্থিতির শিকার হয়ে সুমি আতœহত্যার পথ বেঁেচ নেয়। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্তি ধর বাবা ও সৎ মা আটকের এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। (93 বার পড়া হয়েছে)