20 Nov 2017 : সিলেট, বাংলাদেশ :     |Bangla Font Error | Login |

মধ্যনগরে আওয়ামীলীগের কার্যালয়সহ তিনটি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ

ধর্মপাশা প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানাধীন বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের চাাপাইতি বাজারে থাকা ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়সহ তিনটি দোকান ভাঙচুর করা ও এর মধ্যে দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় পাশের তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের পরিষদের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার গভীর রাতে এই ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাহিরপুর উপজেলার এক ভাড়াটে মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে ধর্মপাশা উপজেলাধীন মধ্যনগর এলাকার এক ভাড়াটে মোটর সাইকেল চালকের সপ্তাহ খানেক আগে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে তাহিরপুর থেকে মধ্যনগর ও মধ্যনগর থেকে তাহিরপুর পর্যন্ত ভাড়াটে মোটরসাইকেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ঘটনাটি মীমাংসা করার দুই পক্ষের মাতব্বরটা আলোচনা করেছেন। শনিবার রাত অনুমান একটা থেকে দেড়টার মধ্যে ৮/১০জনের একটি দল উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের চাপাইতি বাজারে এসে দেশীয় ধারালে অস্ত্র দিয়ে সেখানে থাকা তিনটি মনোহারী দোকান ভাঙচুর শুরু করে। এর মধ্যে একটি দোকান থেকে মালামাল লুটে নিয়ে যায়। এ সময় ওই বাজারে থাকা ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে ওই কার্যালয়ের ভেতরে থাকা পাঁচ ছয়টি চেয়ার ভাঙচুর করে এবং কার্যালয়ের টানানো থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের ছবি সম্বলিত একটি ডিজিটাল ব্যনারও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বিনষ্ট করে দেয়।বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জহুর ্উদ্দিন জাানান, পাশ্ববর্তী তাহিরপুর শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ ও তাঁর লোকজনদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও নানা বিষয় নিয়ে দীঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। আর এর জের ধরেই তাঁর নির্দেশে তাঁর লোকজন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর, ব্যানার বিনষ্ট করাসহ দোকান ভাঙচুর ও একটি দোকানের মালামাল লুটে নিয়ে গেছে। এ নিয়ে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ করব। তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ দাবি বলেন, এটি নিছক একটি সাজানো ঘটনা। এতে আমি ও আমার লোকজনদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার সঙ্গে জহুর উ্িদ্দসসহ এই এলাকার কারও কোনো বিরোধ নেই। স্থানীয় একটি কুচক্রী আমি ও আমার লোকজনের নামে মিথ্যা বদনাম রটিয়ে অযথা হয়রানি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
মধ্যনগর থানার এসআই লুৎফুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে থানা পুলিশকে নিয়ে আমি সরোজমিনে ঘটাস্থলে গিয়েছি। দলীয় ভাঙচুর কার্যালয়ের চেয়ার ভাঙচুর,ব্যানার কর্তন ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনা প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সে সম্পর্কে লিখিত অভিযোগ আমি এখনো আমারা পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

(382 বার পড়া হয়েছে)

(Visited 1 times, 1 visits today)